এগ্রোটেকনোলজি এলামনাই এসোসিয়েশন এর গঠনতন্ত্র

প্রথম অধ্যায়ঃ সূচনা

১.১ এসোসিয়েশনের নাম

এই এসোসিয়েশনের নাম এগ্রোটেকনোলজি এলামনাই এসোসিয়েশন (এএএ)

Agrotechnology Alumni Association (AAA)

 

১.২ এসোসিয়েশনের সদস্যঃ

এগ্রোটেকনোলজি থেকে উত্তীর্ণ স্নাতক/স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী গ্র্যাজুয়েটগণ এ এসোসিয়েশনের সদস্য হতে পারবেন। তবে এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিন থেকে স্নাতক ডিগ্রিধারী নন এরূপ স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী গ্র্যাজুয়েটগণ এসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।

 

১.৩ এসোসিয়েশনের ঠিকানা

এগ্রোটেকনোলজি এলামনাই এসোসিয়েশন এর ঠিকানা রুম নং-২২৪৯, এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিন, একাডেমিক ভবন-২, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা -৯২০৮, বাংলাদেশ।

 

১.৪ এসোসিয়েশনের অধিক্ষেত্র

এসোসিয়েশনের কার্যক্রম বাংলাদেশের সর্বত্র বিস্তৃত থাকবে। এর সদর দফতর থাকবে এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা – ৯২০৮। একবার কেউ এসোসিয়েশনের সদস্যভুক্ত হলে ভবিষ্যতে তিনি দেশে-বিদেশে যে কোন স্থানে অবস্থান করেন না কেন তাঁর সদস্যপদের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।

 

১.৫ এসোসিয়েশনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য

  • এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিন- এ অধ্যয়নকারী গ্রাজুয়েটদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, একতা, ভ্রাতৃত্ব, সম্প্রীতি ও সহযোগিতামূলক মনোভাব প্রতিষ্ঠা করা এবং তা বজায় রাখা।
  • এসোসিয়েশনের সদস্যগণদের পেশাগত প্রয়োজনে এবং সুবিধা-অসুবিধায় সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় শাখা/কমিটির সাথে সহজতর যোগাযোগে সহায়তা করা।
  • সদস্যগণের জন্য প্রযুক্তিগত জ্ঞান ও তথ্য অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি করা এবং পারস্পরিক জ্ঞান ও তথ্য বিনিময়ে সহায়তা করা।
  • এসোসিয়েশনের সদস্যগণদের পেশাগত মান উন্নয়নে সহায়তা করা।
  • বিভিন্ন জনকল্যাণ এবং সমাজসেবা মূলক কাজে অংশগ্রহণ করা।
  • জাতীয় কোন দুর্যোগে কিংবা জনজীবনে হঠাৎ সৃষ্ট বিপর্যয়কর পরিস্থিতিতে সহায়তামূলক কর্মসূচি নিয়ে এগিয়ে আসা।

 

১.৬ এসোসিয়েশনের কার্যক্রম

  • এসোসিশেন সদস্যগণের মধ্যে পারস্পরিক মত বিনিময় এবং অন্তরঙ্গ পরিবেশ সৃষ্টির ক্ষেত্র তৈরী করবে।
  • সদস্যগণের একক/যৌথ ন্যায়সংগত সুবিধাদি ও অধিকার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনাপূর্বক উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। প্রয়োজনে সমধর্মী বিভিন্ন এসোসিয়েশন, প্রতিষ্ঠান, সমিতি, সংস্থা বা ব্যক্তির সাথে যৌথভাবে কাজ করবে।
  • সদস্যগণের এক/একাধিক সহযোগে পরিচালিত পেশাভিত্তিক উদ্যোগ/কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ/ সহযোগিতা প্রদান।
  • এসোসিয়েশন এককভাবে অথবা অন্যান্য এসোসিয়েশন/সংস্থার সাথে যৌথভাবে জাতীয় দুর্যোগ প্রতিরোধ, জনবিপর্যয় রোধ, জনকল্যাণ ও সেবামূলক কাজে অংশগ্রহণ করবে।
  • এসোসিয়েশনের কর্মকান্ড ও সদস্যগণের সৃজনশীল মতামত প্রকাশের জন্য পত্রিকা/বুলেটিন প্রকাশ করবে।
  • এসোসিয়েশনের কার্যক্রম পরিচালনার নিমিত্তে আর্থিক সক্ষমতা অর্জনের জন্য এসোসিয়েশনের সদস্যগণের নিকট থেকে কিংবা সমধর্মী এসোসিয়েশন/সমিতি/সংস্থা/ব্যক্তির নিকট থেকে চাঁদা/অনুদান গ্রহণপূর্বক তহবিল গঠন করবে।

 

দ্বিতীয় অধ্যায়ঃ এসোসিয়েশনের সদস্য

২.১ এসোসিয়েশনের সদস্য ও এর শ্রেণীবিভাগ

এসোসিয়েশনের সদস্য হবে ২ (দুই) শ্রেণীর

(ক) সাধারণ সদস্য

(খ) আজীবন সদস্য

 

(১) সাধারণ সদস্য:

গঠনতন্ত্রের ধারা ১.২ অনুযায়ী এসোসিয়েশনের সদস্য হওয়ার যোগ্য যে কোন গ্র্যাজুয়েটগণ ধারা ৬.২(১) এ নির্ধারিত ফি জমাপূর্বক সদস্য অন্তর্ভূক্তির ফরমে আবেদন করার পর কার্যনির্বাহী পরিষদের অনুমোদনক্রমে তিনি এসোসিয়েশনের সাধারন সদস্য হবেন। সদস্য নম্বর সদস্যপদ গ্রহণের তারিখ অনুযায়ী নির্ধারিত হবে।

(২) আজীবন সদস্য

গঠনতন্ত্রের ধারা ১.২ অনুযায়ী এসোসিয়েশনের  সদস্য হওয়ার যোগ্য কোন গ্র্যাজুয়েট(গণ) ধারা ৬.২(২) এ নির্ধারিত ফি প্রদানপূর্বক আবেদন করলে কার্যনির্বাহী পরিষদের অনুমোদনক্রমে সদস্য হবেন। কোন আজীবন সদস্য মারা গেলে তাঁর নাম ও সদস্য নম্বর থেকে যাবে, কিন্তু ভোটার নম্বর এবং বর্তমান ঠিকানা থাকবে না।

 

২.২ সদস্যগণের অধিকার

  • এসোসিয়েশনের পরিষদসমূহে গঠনতন্ত্রের বিধি-বিধান এবং শর্তাবলী পূরণ সাপেক্ষে নিজেকে অন্তর্ভূক্ত করতে কিংবা পরিষদসমূহের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবে।
  • এসোসিয়েশনের কোন সদস্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য যে কোন সভায় অংশগ্রহণ করার, নিজস্ব মতামত ব্যক্ত করার ও ভোটাধিকার প্রয়োগের অধিকার থাকবে।
  • এসোসিয়েশন কর্তৃক আয়োজিত কোন আচার-অনুষ্ঠান এ প্রযোজ্য বিধি-বিধান এবং শর্তাবলীর আলোকে অংশগ্রহণের অধিকার থাকবে।
  • যে কোন সদস্যের পেশা সংক্রান্ত কিংবা সৃজনশীল কোন কাজে এসোসিয়েশনের সহযোগিতা চাওয়ার / পাওয়ার অধিকার থাকবে।

 

২.৩ সদস্যগণের দায়িত্ব

  • এসোসিয়েশনের গঠনতন্ত্র মেনে চলা।
  • গোষ্ঠীস্বার্থ ও মর্যাদার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া।
  • নিজ নিজ পেশার মর্যাদা রক্ষা করা ও উন্নয়নে সচেষ্ট থাকা।
  • এসোসিয়েশন কর্তৃক আয়োজিত কোন সভা-সমাবেশ, আচার-অনুষ্ঠান, সেমিনার কিংবা কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ করা এবং সেগুলোর বাস্তবায়নে যথাসাধ্য অবদান রাখা।

 

২.৪ সদস্যপদ বাতিল

১. গ্রহণযোগ্য কারণ ব্যতিরেকে গঠনতন্ত্রের ধারা ৬.২(২) এ বর্ণিত বার্ষিক চাঁদা পরিশোধ না করলে সদস্যপদ সাময়িকভাবে স্থগিত থাকবে। স্থগিত হওয়ার পরবর্তী ১ (এক) বছরের মধ্যে বকেয়া পরিশোধ না করলে স্থগিত সদস্যপদ বাতিল হয়ে যাবে। সদস্যপদ পুনরায় লাভ করতে চাইলে সমুদয় বকেয়া চাঁদা পরিশোধসহ সদস্য নিবন্ধন ফি জমা দিতে হবে।

২. গঠনতন্ত্রের কোন বিধি সুস্পষ্টভাবে লঙ্ঘন করলে কোন সদস্যের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা পরবর্তী সাধারণ সভায় অনুমোদিত হতে হবে।

৩. কোন সদস্য দেশের সর্বোচ্চ আদালত কর্তৃক দন্ডিত হলে অথবা তাঁর কর্মকান্ড এসোসিয়েশনের জন্য ক্ষতিকর প্রমাণিত হলে কার্যনির্বাহী পরিষদ তাঁর সদস্যপদ বাতিল করতে পারবে।

৪. কোন সদস্যের মৃত্যু হলে তাঁর সদস্যপদ বিলুপ্ত হবে না, সাবেক সদস্য হিসেবে তাঁর নাম ও সদস্য নম্বর সংরক্ষিত থাকবে। তবে ভোটার তালিকায় তাঁর নাম অন্তর্ভুক্ত হবে না।

 

২.৫ সদস্যপদ প্রত্যাহার

যে কোন সদস্য এককভাবে ২ (দুই) মাসের নোটিশে কার্যনির্বাহী পরিষদের সভাপতি বরাবর কারণ উল্লেখপূর্বক সদস্যপদ প্রত্যাহারের আবেদন করতে পারবেন। কার্যনির্বাহী পরিষদের পরবর্তী সভায় তাঁর সদস্যপদ প্রত্যাহার এর বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে। উক্ত সিদ্ধান্ত আবেদনকারীর মনপূতঃ না হলে পরবর্তী সাধারণ সভায় তাঁর আবেদন উত্থাপনের জন্য তিনি সভাপতিকে অনুরোধ করতে পারবেন এবং সে ক্ষেত্রে সভাপতি তা পরবর্তী সাধারণ সভায় উত্থাপন করতে বাধ্য থাকবেন। সাধারণ সভার সিদ্ধান্তে বিষয়টি নিষ্পত্তি হবে।

 

২.৬ সদস্যপদ পুনরুদ্ধার

(১) উপধারা ২.৪ (১) মোতাবেক সদস্যপদ স্থগিত হলে প্রযোজ্য সদস্য ফি /বার্ষিক চাঁদা প্রদান সাপেক্ষে সদস্যপদ পুনর্বহাল করা যাবে।

(২) গঠতন্ত্রের ধারা ২.৪ (২) ও ২.৪ (৩) মোতবেক কেউ সদস্যপদ হারালে সদস্যপদ পুনর্বহালের জন্য তিনি কার্যনির্বাহী পরিষদের সভাপতির নিকট আবেদন করতে পারবেন।

(৩) কার্যনির্বাহী পরিষদের বিবেচনায় যদি তাঁর সদস্যপদ বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল থাকে, তবে সদস্যপদ পুনর্বহালের জন্য সাধারণ সভায় তাঁর আবেদন উত্থাপনের জন্য তিনি সভাপতিকে লিখিতভাবে অনুরোধ করতে পারবেন।

 

তৃতীয় অধ্যায়: সাংগঠনিক কাঠামো

৩.১ সাধারণ পরিষদ

(১) এসোসিয়েশনের সকল সদস্যদের সমন্বয়ে সাধারণ পরিষদ গঠিত।

(২) এ পরিষদ এসোসিয়েশনের যে কোন বিষয়ে সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী।

(৩) এসোসিয়েশনের গঠতন্ত্র সংশোধন/সংযোজন/পরিবর্ধন, কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠন/পুনর্গঠন/বাতিল এবং কার্যনির্বাহী পরিষদের বাজেট ও অডিট রিপোর্ট অনুমোদন ক্ষমতার অধিকারী।

(৪) এসোসিয়েশনের আনুষ্ঠানিক বিলুপ্তি না হওয়া পর্যন্ত সাধারণ পরিষদ কার্যকরী থাকবে।

 

৩.২ কার্যনির্বাহী পরিষদ

এসোসিয়েশনের যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এসোসিয়েশন সদস্যগণের মধ্যে হতে ৪১ (একচল্লিশ) সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠিত হবে। এসোসিয়েশেন পরিচালনায় কার্যনির্বাহী পরিষদ সর্বোচ্চ পরিষদ হিসেবে বিবেচিত হবে। কার্যনির্বাহী পরিষদ সকল কর্মকান্ডের জন্য সাধারণ পরিষদের নিকট দায়বদ্ধ থাকবে।

(১) কার্যনির্বাহী পরিষদের মেয়াদ

১. কার্যনির্বাহী পরিষদের কার্যকাল সাধারণভাবে দায়িত্ব গ্রহণের দিন থেকে ০২ (দুই) বছর। গ্রহণযোগ্য কারণে এই মেয়াদ অনধিক ৩ মাস কার্যনির্বাহী পরিষদ বৃদ্ধি করতে পারবে।

২. দৈব দূর্বিপাক বা জরুরী পরিস্থিতির কারণে নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন করা সম্ভব না হলে বিদ্যমান কার্যনির্বাহী পরিষদ উক্ত পরিস্থিতিতে এসোসিয়েশনের কর্মকান্ড চালিয়ে যাবে।

৩. দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে ২ বছর এর মধ্যে পরবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠানে কার্যনির্বাহী পরিষদ ব্যর্থ হলে এসোসিয়েশন ২৫% (পচিশ) সদস্যের স্বাক্ষরিত এক/একাধিক দল (একই সদস্য একাধিক দলে স্বাক্ষর করতে পারবেন না) জরুরী সাধারণ সভা আহবানের জন্য সভাপতিকে লিখিত অনুরোধ করতে পারবেন। ১ম দলের অনুরোধপত্র প্রাপ্তির ১ মাসের মধ্যে জরুরী সাধারণ সভা অনুষ্ঠানে সভাপতি ব্যর্থ হলে ১ম দল ‘তলবী সভা’ আহবান করতে পারবেন (১ম দল ব্যতীত অন্য কোন দল এ সভা আহবান করতে পারবে না)। উক্ত তলবী সভায় এসোসিয়েশন সদস্যগণের সমন্বয়ে ৭ (সাত) সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি গঠন করা যাবে। আহবায়ক কমিটি ঐ সভায়ই গঠনতন্ত্রের ধারা ৫.১(৩) এর আলোকে নির্বাচন কমিশন গঠনপূর্বক কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠনের উদ্দ্যোগ গ্রহণ করবে। এ আহবায়ক কমিটি গঠিত হবার সাথে সাথে কার্যনির্বাহী পরিষদ বিলুপ্ত হয়ে যাবে। ১ম দল ব্যর্থ হলে, গঠিত ২য় দল একই উদ্দেশ্য নিয়ে বর্ণিত প্রক্রিয়া অনুসরন করতে পারবে।

 

(২) কার্যনির্বাহী পরিষদের দায়িত্ব ও কর্তব্য

১. গঠনতন্ত্রের আওতায় এসোসিয়েশন পরিচানার স্বার্থে খুঁটিনাটি বিষয়ে জরুরী বিধি-বিধান প্রণয়ন করতে পারবে যা পরবর্তী সাধারণ সভায় অনুমোদনের জন্য পেশ করতে হবে।

২. এসোসিয়েশনের আদর্শ, উদ্দেশ্য ও প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কার্যক্রম গ্রহণ করবে। নির্ধারিত সময়ে সাধারণ সভা এবং কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

৩. অসদাচরণ বা গঠনতন্ত্র বিরোধী কর্মকান্ডের জন্য বিধান মোতাবেক যে কোন সদস্যের সদস্যপদ বাতিল বা স্থগিত করতে পারবে, তবে এরূপ সিদ্ধান্ত গ্রহণের পূর্বে সংশ্লিষ্ট সদস্যকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিতে হবে।

৪. কোন নির্দিষ্ট কার্যক্রম/কর্মসূচী/অনুষ্ঠান বাস্তবায়নের জন্য নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য উপ-পরিষদ গঠন করতে পারবে।

৫. উপদেষ্টা পরিষদের গঠনমূলক উপদেশ ও পরামর্শ গ্রহণ করবে।

 

(৩) কার্যনির্বাহী পরিষদের কাঠামো

কার্যনির্বাহী পরিষদ নিম্নবর্ণিত পদসমূহ দ্বারা গঠিত হবে:

ক্রম                                           পদবী                         পদসংখ্যা  

০১।     সভাপতি                                    ১ (এক) জন

০২।     সহ-সভাপতি                               ২ (দুই) জন

০৩।     সাধারণ সম্পাদক                         ১ (এক) জন

০৪।     যুগ্ম সম্পাদক                              ২ (দুই) জন

০৫।      সাংগঠনিক সম্পাদক                 ১ (এক) জন

০৬।    যুগ্ম-সাংগঠনিক সম্পাদক           ১ (এক) জন

০৭।      কোষাধ্যক্ষ                               ১ (এক) জন

০৮।    যুগ্ম-কোষাধ্যক্ষ                         ১ (এক) জন

০৯।      দপ্তর সম্পাদক                         ১ (এক) জন

১০।      জনসংযোগ সম্পাদক                   ১ (এক) জন

১১।      সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক       ১ (এক) জন

১২।    যুগ্ম-সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক  ১ (এক) জন

১৩।     ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক        ১ (এক) জন

১৪।    যুগ্ম- ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক  ১ (এক) জন

১৫।    ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক                   ১ (এক) জন

১৬।    তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক               ১ (এক) জন

১৭।   যুগ্ম- তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক        ১ (এক) জন

১৮।     আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক         ১ (এক) জন

১৯।   যুগ্ম- আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক  ১ (এক) জন

২০।    সমাজ কল্যাণ সম্পাদক               ১ (এক) জন

২১।  যুগ্ম- সমাজ কল্যাণ সম্পাদক       ১ (এক) জন

২২।  নির্বাহী সদস্য                      ১৮ (আঠারো) জন

সর্বমোট                                                 ৪১ (একচল্লিশ) জন

 

(৪)কার্যনির্বাহী পরিষদ সদস্যগণের কার্যপরিধি

০১. সভাপতি

(১) সভাপতি এসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী পরিষদ এবং এসোসিয়েশনের গঠনতান্ত্রিক প্রধান।

(২) এসোসিয়েশনের সাধারণ সভা, কার্যনির্বাহী পরিষদের সভা ও অন্যান্য সভায়/আনুষ্ঠানিকতায় তিনি সভাপতিত্ব করবেন। এসোসিয়েশনের স্বার্থে পত্র-পত্রিকায়, সংবাদপত্রে কিংবা মিডিয়ায় সাধারণ সম্পাদকের পরামর্শক্রমে বিবৃতি/সাক্ষাৎকার প্রদান করবেন।

(৩) তিনি সাধারণ সম্পাদককে কার্যনির্বাহী পরিষদ সভা আহবান করতে অনুরোধ  করবেন। সাধারণ সম্পাদক কোনো কারণে বা ইচ্ছাকৃতভাবে সভা আহবান না করলে সভাপতি নিজেই সভা আহবান করতে পাবেন কিংবা যুগ্ম সম্পাদকগণকে দিয়ে সভা আহবান করতে পারবেন।

(৪) তিনি এসোসিয়েশনের সকল প্রকল্প /কর্মসূচী, কর্মচারী নিয়োগ/বরখাস্তের সুপারিশ এবং সভাসমূহের প্রস্তাব/সিদ্ধান্ত অনুমোদন করবেন।

(৫) কোন সভায় প্রস্তাব/সিদ্ধান্ত গ্রহণে মতানৈক্য দেখা দিলে তিনি তা প্রকাশ্য ভোটের মাধ্যমে সংখ্যাগরিষ্ঠের মতানুযায়ী নিষ্পত্তি করবেন, পক্ষ-বিপক্ষ ভোট সমান সংখ্যক হলে সভাপতি উক্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত প্রদান করবেন।

(৬) গঠনতন্ত্রের যে কোন ধারা-উপধারা ব্যাখ্যা করে রুলিং প্রদান এবং বিশেষ প্রয়োজনে গঠনতন্ত্রের যে কোন ধারার কার্যকারিতা সাময়িকভাবে স্থগিত  করণের পরামর্শ দিবেন।

(৭) তিনি এসোসিয়েশনের যে কোন প্রকল্প/কার্যক্রমের বাস্তবায়ন অগ্রগতি, এসোসিয়েশনের তহবিলের হিসাব পরীক্ষা এবং কার্যনির্বাহী পরিষদ সদস্য কিংবা এসোসিয়েশনের কর্মচারীদের কাজ পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন।

(৮) কোষাধ্যক্ষের সাথে যৌথ স্বাক্ষরে এসোসিয়েশনের ব্যাংক হিসাব পরিচালনা করবেন।

(৯) দায়িত্ব হতে পদত্যাগ করতে চাইলে তিনি সম্পাদকের নিকট পদত্যাগ পত্র পেশ করবেন এবং তা কার্যনির্বাহী পরিষদে গৃহীত না হওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করতে থাকবেন।

 

০২. সহ-সভাপতি-

(১) সভাপতির অনুপস্থিতিততে জ্যেষ্ঠতার ক্রমানুসারে সহ-সভাপতি(গণ) ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

(২) কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক গঠিত যে কোন উপ-পরিষদকে নেতৃত্ব দিবেন এবং কাজের অগ্রগতি তদারকি করবেন।

(৩) কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্তক্রমে সহ-সভাপতিগণ এসোসিয়েশনের উপদেষ্টা পরিষদের সঙ্গে লিয়াজো করবেন।

(৪) কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক অর্পিত দায়িত্বসমূহ পালন করবেন।

(৫) দায়িত্ব হতে পদত্যাগ করতে চাইলে তিনি সভাপতির নিকট পদত্যাগ পত্র পেশ করবেন এবং তা কার্যনির্বাহী পরিষদে গৃহীত না হওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করতে থাকবেন।

 

০৩. সাধারণ সম্পাদক

(১) সাধারণ সম্পাদক এসোসিয়েশনের প্রধান নির্বাহী। সংগঠনের মুখপাত্র হিসেবে এএএ-এর স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিভিন্ন সরকারি/আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠান, সমাজসেবা অধিদপ্তর, এনজিও এবং বিভিন্ন সমিতি/সংঘ/সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করবেন।

(২) সভাপতির অনুরোধক্রমে তিনি কার্যনির্বাহী পরিষদের সভা আহবান করবেন। অন্যান্য পরিষদের প্রধানকে সভা আহবানের অনুরোধ করবেন এবং নির্ধারিত বিষয়ের উপর রিপোর্ট সংগ্রহ করবেন।

(৩) তিনি অফিস ব্যবস্থপনা সম্পাদকের সাথে যৌথভাবে সভার আলোচ্যসূচী প্রস্তুত, কার্যবিবরণী লিপিবদ্ধ, বিতরন এবং সংরক্ষণ করবেন।

(৪) কার্যনির্বাহী পরিষদের অনুমোদিত প্রতিবেদন ও নিরীক্ষা রিপোর্ট সাধারণ সভায় পেশ করবেন এবং জবাবদিহি করবেন।

(৫) তিনি এসোসিয়েশনের দৈনন্দিন আয়-ব্যয় নিয়ন্ত্রণ করবেন। সভাপতির সঙ্গে আলোচনাক্রমে সাধারণ সম্পাদক সর্বোচ্চ ১০,০০০/- (দশ হাজার) টাকা পর্যন্ত নগদ খরচ করতে পারবেন অথবা অনুমোদন দিতে পারবেন। কোষাধ্যক্ষের সাথে যৌথভাবে এসোসিয়েশনের ব্যাংক হিসাব পরিচালনা করবেন এবং বার্ষিক বাজেট কার্যনির্বাহী পরিষদে পেশ করবেন।

(৬) সভাপতির অনুমোদনক্রমে তিনি এসোসিয়েশনের কর্মচারী নিয়োগ/অব্যাহতি, বেতন-ভাতা প্রদান/হ্রাস-বৃদ্ধি ও ছুটি মঞ্জুর করবেন।

(৭) তিনি কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক অনুমোদিত চুক্তিতে স্বাক্ষর করবেন, প্রকল্প/কর্মসূচী/কার্যক্রম পরিচালনা/তদারকি করবেন এবং এসোসিয়েশনের যাবতীয় স্থাবর ও অস্থাবর বিষয়-সম্পত্তি, কাগজ-পত্র, দলিল-দস্তাবেজ ও হিসাব-নিকাশ রক্ষণাবেক্ষণের সার্বিক দায়িত্বে থাকবেন।

(৮) তিনি বিভাগীয় সম্পাদকদের নিয়ে সভা করবেন এবং সম্পাদকগণের কার্যাবলীর অগ্রগতি পার্যালোচনপূর্বক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন, দাপ্তরিক কার্যাবলী সম্পর্কে দিক-নির্দেশনা দিবেন।

(৯) সাধারণ সম্পাদক নব-নির্বাচিত  কার্যনির্বাহী পরিষদের নিকট নতুন পরিষদ ঘোষণার ১০ (দশ) দিনের মধ্যে এসোসিয়েশনের কার্যভার বুঝিয়ে দিতে বাধ্য থাকবেন।

(১০) সকল কাজের জন্য তিনি কার্যনির্বাহী পরিষদের নিকট জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকবেন।

(১১) দায়িত্ব হতে পদত্যাগ করতে চাইলে তিনি সভাপতির নিকট পদত্যাগ পত্র পেশ করবেন এবং তা কার্যনির্বাহী পরিষদে গৃহীত না হওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করতে থাকবেন।

(১২) কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক অর্পিত দায়িত্বসমূহ পালন করবেন।

 

০৪. যুগ্ম সম্পাদক

(১) যুগ্ম সম্পাদকগণ সাধারণ সম্পাদকের সকল কাজে সহযোগিতা করবেন।

(২) সভাপতির অনুরোধক্রমে এসোসিয়েশনের যে কোন দায়িত্ব পালন করবেন।

(৩) কার্যনির্বাহী পরিষদের মেয়াদ পূর্ণ হবার আগেই সাধারণ সম্পাদক দায়িত্ব পালনে অপারগ হলে বা তিনি পদত্যাগ করলে বা যে কোন কারণে সাধারণ সম্পাদক এর পদ শূণ্য হলে যুগ্ম সম্পাদকগণ জ্যেষ্ঠতার ক্রমানুসারে পরবর্তী নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

(৪) ছুটি/অনুপস্থিতি/অসুস্থতা বা যে কোন কারণে সাধারণ সম্পাদক দায়িত্ব পালনে সাময়িকভাবে অসমর্থ হলে সাধারণ সম্পাদক পুনরায় কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত যুগ্ম সম্পাদক জ্যেষ্ঠতার ক্রমানুসারে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

(৫) এসোসিয়েশনের সার্বিক বিষয়ে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সাথে যুক্ত থাকবেন এবং এসোসিয়েশনের সকল কর্মসূচী বাস্তবায়নে কার্যকরি ভূমিকা রাখবেন।

(৬) কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক অর্পিত দায়িত্বসমূহ পালন করবেন।

(৭) দায়িত্ব হতে পদত্যাগ করতে চাইলে তিনি সভাপতির নিকট পদত্যাগ পত্র পেশ করবেন এবং তা কার্যনির্বাহী পরিষদে গৃহীত না হওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করতে থাকবেন।

 

০৫. সাংগঠনিক সম্পাদক

(১) সাংগঠনিক সম্পাদক এসোসিয়েশনের সাংগঠনিক কার্যক্রমের সাথে সম্পৃক্ত থাকবেন।

(২) সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সাথে যোগাযোগ রাখবেন এবং এসোসিয়েশনকে শক্তিশালী করার জন্য যথোপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।

(৩) এসোসিয়েশনে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করা তাঁদের প্রধানতম দায়িত্ব। কোন অবাঞ্ছিত কিংবা অনুপযুক্ত ব্যক্তি যাতে এসোসিয়েশনে সম্পৃক্ত না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখবেন।

(৪)  কার্যনির্বাহী পরিষদ সভায়/সাধারণ সভায় সাংগঠনিক সুপারিশ/রিপোর্ট পেশ করবেন।

(৫) এসোসিয়েশনের কোন শাখা প্রতিষ্ঠা করার প্রয়োজন দেখা দিলে সে প্রস্তাব কার্যনির্বাহী পরিষদে অনুমোদনের জন্য পেশ করবেন।

(৬) কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক অর্পিত অন্যান্য দায়িত্বসমূহ পালন করবেন।

(৭) দায়িত্ব হতে পদত্যাগ করতে চাইলে তিনি সভাপতির নিকট পদত্যাগ পত্র পেশ করবেন এবং তা কার্যনির্বাহী পরিষদে গৃহীত না হওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করতে থাকবেন।

 

০৬. যুগ্ম-সাংগঠনিক সম্পাদক

(১) যুগ্ম-সাংগঠনিক সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদকের সকল কাজে সহযোগিতা করবেন।

(২) ছুটি/অনুপস্থিতি/অসুস্থতা বা যে কোন কারণে সাংগঠনিক সম্পাদক দায়িত্ব পালনে সাময়িকভাবে অসমর্থ হলে সাংগঠনিক সম্পাদক পুনরায় কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

০৭. কোষাধ্যক্ষ

(১) কোষাধ্যক্ষ এসোসিয়েশনের সকল আর্থিক লেন-দেনের মূখ্য দায়িত্ব পালন করবেন। এসোসিয়েশনের নামে সংগৃহীত সমুদয় অর্থ এসোসিয়েশনের নামে করা ব্যাংক হিসাবে জমা রাখবেন।

(২) এসোসিয়েশনের আর্থিক বিষয়াদি সম্পর্কে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে সম্যক জ্ঞাত রাখা, আয়-ব্যয়ের হিসেব সংরক্ষণ, কার্যনির্বাহী পরিষদ সভায় সমিতিরি আর্থিক ব্যবস্থাপনার উপর রিপোর্ট দেয়া তাঁর দায়িত্ব।

(৩) সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক কর্তৃক পাশকৃত বিল, ভাউচার এর অর্থ পরিশোধ করবেন। পরিশোধিত বিল/ভাউচার, রশিদ/জমা/চেক বই, যাবতীয় হিসাব, কাগজ-পত্র ইত্যাদি সংরক্ষণ করবেন।

(৪) তিনি এসোসিয়েশনের বাজেট, আয়-ব্যয়, সঞ্চয় ও স্থিতির প্রতিবেদন প্রণয়ন করবেন এবং তা অনুমোদনের জন্য কার্যনির্বাহী পরিষদে পেশ করবেন।

(৫) তিনি এসোসিয়েশনের দৈনন্দিন ব্যয় নির্বাহের জন্য ৫,০০০/- (পাঁচ হাজার) টাকা পর্যন্ত নিজ হাতে নগদ  রাখতে পারবেন।

(৬) কার্যনির্বাহী পরিষদ বাতিল হলেও তিনি দায়িত্বভার পরবর্তী কার্যনির্বাহী পরিষদের কোষাধ্যক্ষ এর নিকট অর্পণের পূর্ব পর্যন্ত স্বপদে বহাল থাকবেন।

(৭) কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক অর্পিত দায়িত্বসমূহ পালন করবেন।

(৮) দায়িত্ব হতে পদত্যাগ করতে চাইলে তিনি সভাপতির নিকট পদত্যাগ পত্র পেশ করবেন এবং তা কার্যনির্বাহী পরিষদে গৃহীত না হওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করতে থাকবেন।

০৮. যুগ্ম কোষাধ্যক্ষ

(১) যুগ্ম-কোষাধ্যক্ষ কোষাধ্যক্ষ্যের সকল কাজে সহযোগিতা করবেন।

(২) ছুটি/অনুপস্থিতি/অসুস্থতা বা যে কোন কারণে কোষাধ্যক্ষ দায়িত্ব পালনে সাময়িকভাবে অসমর্থ হলে কোষাধ্যক্ষ পুনরায় কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

০৯. দপ্তর সম্পাদক

(১) দপ্তর সম্পাদক অফিস ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত যাবতীয় দায়িত্ব পালন করবেন এবং এতদবিষয়ে সভাপতি ও সাধরণ সম্পাদকের সহিত নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করবেন।

(২) এসোসিয়েশনের সকল সভার নোটিশ/কার্যবিবরণী প্রস্তুতপূর্বক সময়মত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের নিকট পৌঁছানোর ব্যবস্থা করবেন। বিভিন্ন অনুষ্ঠান/সেমিনার এর দাওয়াত কার্ড /সাময়িকী বিতরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

(৩) তিনি এসোসিয়েশনের কর্মচারীদের কাজ তদারকি করবেন। এসাসিয়েশনের সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের নাম, ঠিকানা, যাবতীয় নথিপত্র/রেকর্ড এর সুষ্ঠু সংরক্ষণ/ গোপনীয়তা নিশ্চিত করবেন।

(৪) তিনি এসোসিয়েশনের অফিসের জন্য প্রয়োজনীয় স্টেশনারিজ, আসবাবপত্র ইত্যাদি সংগ্রহের ব্যবস্থা করবেন এবং সকল খরচ সভাপতি/সাধারণ সম্পাদকের অনুমোদনসহ মিটানোর ব্যবস্থা করবেন।

(৫) কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক অর্পিত দায়িত্বসমূহ পালন করবেন।

(৬) দায়িত্ব হতে পদত্যাগ করতে চাইলে তিনি সভাপতির নিকট পদত্যাগ পত্র পেশ করবেন এবং তা কার্যনির্বাহী পরিষদে গৃহীত না হওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করতে থাকবেন।

 

১০. জনসংযোগ সম্পাদক

(১) জনসংযোগ সম্পাদক এসোসিয়েশনের প্রচার-প্রচারণা ও যোগাযোগের দায়িত্বে থাকবেন।

(২) তিনি বিবৃতি, লিফলেট, পোস্টার, বিজ্ঞপ্তি প্রভৃতির মাধ্যমে এসোসিয়েশনকে পেশাজীবি সমাজ ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নিকট যথাযথভাবে উপস্থাপনের পদক্ষেপ নিবেন।

(৩) এসোসিয়েশনের আদর্শ, উদ্দেশ্য, প্রকল্প, কর্মসূচী প্রভৃতি বিষয়ে এসোসিয়েশনের সদস্য, পরিষদ এবং সমধর্মী সংগঠনসমূহের নিকট তুলে ধরবেন।

(৪) কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক অর্পিত দায়িত্বসমূহ পালন করবেন।

 

১১. সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক

(১) সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক এসোসিয়েশনের পত্রিকা, জার্নাল, সাময়িকী, ডাইরেক্টরি ইত্যাদি প্রকাশনা, সংকলন ও মুদ্রণের দায়িত্ব পালন করবেন।

(২) এসোসিয়েশন কর্তৃক প্রকাশিত পত্রিকা, জার্নাল, সাময়িকী, ডিরেক্টরি ইত্যাদি বিতরণ, সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণ করবেন।

(৩) তিনি এসোসিয়েশনের বিভিন্ন প্রকাশনার জন্য লেখা, বিজ্ঞাপন, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের বাণী/বক্তব্য ইত্যাদি সংগ্রহপূর্বক সম্পাদনা করবেন।

(৪) কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক অর্পিত দায়িত্বসমূহ পালন করবেন।

 

১২. যুগ্ম- সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক

(১) যুগ্ম- সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদককে সকল কাজে সহযোগিতা করবেন।

(২) ছুটি/অনুপস্থিতি/অসুস্থতা বা যে কোন কারণে সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক দায়িত্ব পালনে সাময়িকভাবে অসমর্থ হলে সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক পুনরায় কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

 

১৩. ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক

(১) তিনি এএএ এর ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়াদির দায়িত্বে থাকবেন।

(২) সদস্যদের নিয়ে খেলাধূলা, নাটক, সঙ্গীতানুষ্ঠান, আবৃত্তি প্রভৃতির আয়োজন করবেন।

(৩) দেশে-বিদেশের ঐতিহাসিক, স্বাস্থ্যকর ও দর্শনীয় স্থান পরিদর্শনের উদ্যোগ নিবেন।

(৪) কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক অর্পিত দায়িত্বসমূহ পালন করবেন।

 

১৪. যুগ্ম-ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক

(১) যুগ্ম-ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদককে সকল কাজে সহযোগিতা করবেন।

(২) ছুটি/অনুপস্থিতি/অসুস্থতা বা যে কোন কারণে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক দায়িত্ব পালনে সাময়িকভাবে অসমর্থ হলে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পুনরায় কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

১৫. ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক

(১) এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনে অধ্যয়নরত ছাত্রছাত্রীদের সংগে এলামনাই এসোসিয়েশন সংশ্লিষ্ট বিষয়ে যোগযোগ রক্ষা করবেন। কৃষি ও অন্যান্য শিক্ষা পাঠ্যসূচি, কর্মসূচী প্রণয়ন, বাস্তবায়ন ইত্যাদি বিষয়ে এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টার সাথে সমন্বয় করবেন।

(২) এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের- ছাত্রছাত্রীদের বৃত্তি প্রদানের সম্ভাব্যতা যাচাই, তহবিল গঠন এবং বৃত্তি প্রদানের উদ্যোগ নিবেন। এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিন এর শ্রেষ্ঠ শিক্ষক/সংগঠক/ছাত্রকে পুরস্কৃত করার উদ্যোগ নিবেন।

(৩) শিক্ষা বিষয়ক সম্মেলন/সেমিনার/কর্মশালা/স্টাডি ট্যুর এর আয়োজনের সম্ভাব্যতা যাচাই ও বাস্তবায়নে উদ্যোগ নিবেন।

(৪) কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক অর্পিত দায়িত্বসমূহ সম্পাদন করবেন।

 

১৬. তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক

(১) তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক দেশে-বিদেশে কৃষি প্রযুক্তি খাতের অগ্রগতি/আবিষ্কারের হালনাগাদ অবস্থা নিয়ে কাজ করবেন।

(২) কৃষি প্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন এসোসিয়েশন ও সংগঠন এর তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহপূর্বক সেগুলো সংরক্ষণ করবেন।

(৩) জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় বিশেষ অবদান সৃষ্টিকারী বিভিন্ন কর্মযজ্ঞ ও তথ্যাদি সংগ্রহপূর্বক তা সংরক্ষণ করবেন।

(৪) এএএ-এর ওয়েবসাইট পরিচালনা করবেন ও হালনাগাদ করবেন।

(৫) কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক অর্পিত দায়িত্বসমূহ পালন করবেন।

 

১৭. যুগ্ম-তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক

(১) যুগ্ম-তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদককে সকল কাজে সহযোগিতা করবেন।

(২) ছুটি/অনুপস্থিতি/অসুস্থতা বা যে কোন কারণে তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক দায়িত্ব পালনে সাময়িকভাবে অসমর্থ হলে তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক পুনরায় কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

 

১৮. আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক

(১) আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এলামনাই এসোসিয়েশনের সদস্যগণের বিদেশে বিভিন্ন স্কলারশীপ বিষয়ে তথ্য প্রদানে সাহায্য করবেন।

(২) বিভিন্ন স্কলারশীপ প্রাপ্তিতে সহয়তা করবেন।

১৯. যুগ্ম- আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক

(১) যুগ্ম- আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদককে সকল কাজে সহযোগিতা করবেন।

(২) ছুটি/অনুপস্থিতি/অসুস্থতা বা যে কোন কারণে আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক দায়িত্ব পালনে সাময়িকভাবে অসমর্থ হলে আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পুনরায় কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

২০. সমাজ কল্যাণ সম্পাদক

(১) সমাজ কল্যাণ সম্পাদক এলামনাই এসোসিয়েশনের সদস্যগণের কল্যাণে প্রয়োজনীয় সামাজিক কার্যক্রম গ্রহণ, বাস্তবায়ন ও সমন্বয় করবেন।

(২) এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে ধর্মীয় অনুষ্ঠানাদি, বনভোজন, গুণীজন সংবর্ধনা, মিলনমেলা প্রভৃতি আয়োজনের উদ্যোগ গ্রহণ করবেন।

(৩) কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক অর্পিত দায়িত্বসমূহ পালন করবেন।

২১. যুগ্ম-সমাজ কল্যাণ সম্পাদক

(১) যুগ্ম- সমাজ কল্যাণ সম্পাদক, সমাজ কল্যাণ সম্পাদককে সকল কাজে সহযোগিতা করবেন।

(২) ছুটি/অনুপস্থিতি/অসুস্থতা বা যে কোন কারণে সমাজ কল্যাণ সম্পাদক দায়িত্ব পালনে সাময়িকভাবে অসমর্থ হলে সমাজ কল্যাণ সম্পাদক পুনরায় কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত সমাজ কল্যাণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

২২. নির্বাহী সদস্য

(১) নির্বাহী সদস্যগণ এলামনাই এসোসিয়েশন-এর কার্যনির্বাহী পরিষদের অন্যান্য কর্মকর্তার সমক্ষমতায় এসোসিয়েশনের কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করবেন এবং সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে ভূমিকা রাখবেন।

(২) যে কোন উপ-পরিষদের আহবায়কসহ অন্যান্য সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

(৩) যে কোন সভায় সভাপতি এবং সহ-সভাপতিগণের অনুপস্থিতিতে নির্বাহী সদস্যগণ জ্যেষ্ঠতার ক্রমানুসারে সভাপত্বি করবেন।

(৪) এলামনাই এসোসিয়েশনের সকল বিষয়ে দৃষ্টি রাখবেন এবং প্রয়োজনে এসোসিয়েশনের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো সভাপতির নজরে আনবেন।

(৫) কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক সময়ে সময়ে অর্পিত দায়িত্বসমূহ পালন করবেন।

 

৩.৩ উপদেষ্টা পরিষদ

এসোসিয়েশনের আদর্শ/উদ্দেশ্যের প্রতি আস্থাবান এগ্রোটেকনোলজি থেকে উত্তীর্ণ স্নাতক/স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী গ্র্যাজুয়েটগণদের সমন্বয়ে উপদেষ্টা পরিষদ গঠিত হবে।

উপদেষ্টা পরিষদের গঠন ও কার্যপরিধি

  • উপদেষ্টা পরিষদ ১ জন প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে সর্বোচ্চ ১১ (এগারো) সদস্য বিশিষ্ট হবে।
  • কার্যনির্বাহী পরিষদ উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করবে এবং নতুন কার্যনির্বাহী পরিষদ দায়িত্ব গ্রহণের পর উপদেষ্টা পরিষদ বিলুপ্ত হয়ে যাবে।
  • কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্ত বা সভাপতির অনুরোধে কোন বিষয়ে পরামর্শ প্রদান করবে।
  • সভাপতির আমন্ত্রণে যে কোন উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য কার্যনির্বাহী পরিষদ সভায় ভোটের ক্ষেত্রে ভোটদানে বিরত থাকবেন।
  • উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যগণ কোন নির্বাহী দায়িত্ব পালন করবে না। তবে কার্যনির্বাহী পরিষদের দায়িত্ব হস্তান্তর বিষয়ে উপদেষ্টা পরিষদ প্রয়োজনীয় ভূমিকা রাখবে। এসোসিয়েশনের সকল বিষয়ে দৃষ্টি রাখবেন এবং সভাপতিকে সার্বিকভাবে উপদেশ প্রদান করবেন।

 

৩.৪ উপ-পরিষদ

এসোসিয়েশনের কোন অনুষ্ঠান আয়োজন বা কর্মসূচী/প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য কার্যনির্বাহী পরিষদ যে কোন সময় যে কোন সংখ্যক উপ-পরিষদ গঠন করতে পারবে।

 

উপ-পরিষদের গঠন ও কার্যপরিধি

(১)উপ-পরিষদ যে কোন সদস্য সংখ্যক হতে পারবে, তন্মধ্যে ১ জন আহবায়ক (প্রয়োজনে এক বা একাধিক যুগ্ম আহবায়ক সহ) এবং ১ জন সদস্য-সচিব থাকবে।

(২) নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উপ-পরিষদ নির্দিষ্ট দায়িত্ব পালন করবে এবং সকল কর্মকান্ডের জন্য কার্যনির্বাহী পরিষদের নিকট দায়ী থাকবে।

(৩) কার্য সম্পাদনের শেষে উপ-পরিষদ কার্যনির্বাহী পরিষদের সভাপতির নিকট রিপোর্ট দাখিল করবে এবং কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় রিপোর্ট অনুমোদিত হওয়ার পর উপ-পরিষদ বিলুপ্ত হয়ে যাবে। কোনরুপ কারণ দর্শানো ছাড়াই কার্যনির্বাহী পরিষদ যে কোন উপ-পরিষদ ভেঙ্গে দেয়ার ক্ষমতা সংরক্ষণ করে।

(৪) একই বিশেষ কার্য সম্পাদনের জন্য একাধিক উপ-পরিষদ গঠন করা যাবে না। কিন্তু একই সময় ভিন্ন ভিন্ন কার্য সম্পাদনের জন্য একাধিক উপ-পরিষদ গঠন করা যাবে।

 

৩.৫ স্থানীয় পরিষদ (লোকাল চ্যাপ্টার)

৩.৫.১ স্থানীয় পরিষদ/লোকাল চ্যাপ্টার গঠন

(১) নির্ধারিত কোন এলাকায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক এলামনাই বসবাসরত থাকলে এবং তারা এসোসিয়েশনের স্থানীয় পরিষদ বা লোকাল চ্যাপ্টার গঠন করতে চাইলে এই গঠনতন্ত্র অনুযায়ী স্থানীয় পরিষদ বা লোকাল চ্যাপ্টার গঠন করা যাবে। স্থানীয় পরিষদ বা লোকাল চ্যাপ্টার গঠনের জন্য বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নির্ধারিত কোন এলাকায় বসবাসকারী এসোসিয়েশনের কমপক্ষে ৩০ জন সদস্য প্রয়োজন হবে, বাংলাদেশের বাইরেও নির্ধারিত কোন এলাকায় বসবাসকারী এসোসিয়েশনের কমপক্ষে ১০ জন সদস্য প্রয়োজন হবে।

(২) সদস্যগণ স্থানীয় পরিষদ বা লোকাল চ্যাপ্টার গঠনের জন্য তাদের ইচ্ছা লিখিতভাবে কার্যনির্বাহী পরিষদকে জানাবেন, কার্যনির্বাহী পরিষদ স্থানীয় পরিষদ/লোকাল চ্যাপ্টার সংশ্লিষ্ট সীমানা নির্ধারণের পর গঠনতন্ত্রেও বিধি ও আইন অনুযায়ী তাদেরকে অনুমতি দেবে।

(৩) প্রথম মেয়াদের জন্য স্থানীয় পরিষদ/লোকাল চ্যাপ্টারের সভাপতি এএএ এর কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক মনোমীত হবেন। স্থানীয় পরিষদ/ লোকাল চ্যাপ্টার বার্ষিক সাধারণ সভা করতে ও নিজস্ব প্রকাশনা বের করতে পারবে।

(৪) স্থানীয় পরিষদ/লোকাল চ্যাপ্টার সদস্যরা সদর দপ্তরে প্রদেয় বার্ষিক সদস্য ফি ছাড়াও সংশ্লিষ্ট চ্যাপ্টার কর্তৃক নির্ধারিত স্থানীয় পরিষদ/লোকাল চ্যাপ্টার ফি প্রদান করবেন।

(৫) সকল স্থানীয় পরিষদ/লোকাল চ্যাপ্টার শুধু এএএ এর সদস্যদের মধ্য থেকে নতুন সদস্য ভর্তি করবে এবং সদস্য চাঁদা, সদরদপ্তরের অনুদান, প্রকাশনা ও পেশাজীবী সার্ভিস থেকে অর্থ, দান সরকারি অনুদান ও অন্য যেকোন উৎস থেকে প্রাপ্ত অর্থ স্থানীয় চ্যাপ্টারের আয় বলে গণ্য হবে।

(৬) কার্যনির্বাহী পরিষদ যখন প্রয়োজন বা  তার নিজস্ব উদ্যোগে অথবা যে কোন স্থানীয় পরিষদ/লোকাল চ্যাপ্টার গঠনতন্ত্র অনুসারে সীমা নির্ধারণ করবে। ব্যক্তিগত কারণে কোন সদস্য প্রতিষ্ঠানে না থাকতে চাইলে, বা ঠিকানা বদল করতে চাইলে স্থানীয় চ্যাপ্টারের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট চ্যাপ্টার ও সদর দপ্তরকে জানানো প্রত্যেক সদস্যের জন্য বাধ্যতামূলক।

 

৩.৫.২ স্থানীয় পরিষদ/লোকাল চ্যাপ্টার এর পরিষদ গঠন ও আইন প্রণয়ন কর্তৃত্ব

(১) স্থানীয় পরিষদ/লোকাল চ্যাপ্টার হবে সভাপতি, সহসভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, কোষাধ্যক্ষ এবং একাধিক পরিষদ সদস্য (সদস্যপদ বিষয়ক, চ্যাপ্টার বিষয়ক, সাধারণ প্রভৃতি) ন্যূনতম ৫ এবং সর্বোচ্চ ৯ সদস্য বিশিষ্ট একটি পরিষদ।

(২) লিখিত আইন অনুসারে (উপদেষ্টা পরিষদ কর্তৃক প্রধান নির্বাচন কমিশনার মনোনয়নের ধারা ব্যতিত) স্থানীয় পরিষদ/লোকাল চ্যাপ্টার নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার স্থানীয় চ্যাপ্টার কার্য নির্বাহী পরিষদ কর্তৃক মনোনীত হবে। চ্যাপ্টারের সকল পরিষদ সদস্য সংশ্লিষ্ট চ্যাপ্টারে তালিকাভুক্ত সদস্য কর্তৃক গোপন ব্যালট/ডাক যোগে/ইমেইল ভোটের মাধ্যমে তিন বছরের জন্য নির্বাচিত হবেন।

(৩) প্রতিষ্ঠানের গঠনতন্ত্র, আইন ও উপ-আইন অনুযায়ী স্থানীয় চ্যাপ্টারের কার্যক্রম পরিচালিত হবে। স্থানীয় পরিষদ/লোকাল চ্যাপ্টার প্রতিষ্ঠানের সংবিধান ও আইন অনুসারে ও প্রতিষ্ঠানের অনুমোদনক্রমে প্রয়োজনে অতিরিক্ত উপ-আইন প্রনয়ন করতে পারবে।

 

চতুর্থ অধ্যায়: পরিষদসমূহের সভা

৪.১ সাধারণ সভা

(১) সাধারণ পরিষদের সভা সাধারণ সভা নামে অভিহিত হবে। এলামনাই এসোসিয়েশনের সকল সদস্য এ সভার সদস্য। ৬ মাসে ১ টি সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত  হবে। কার্যনির্বাহী পরিষদের এক পূর্ণ মেয়াদে অর্থাৎ ১ বছরে কমপক্ষে দুইটি সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত  হবে।

(২) কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্তে সাধারণ সম্পাদক এ সভা আহবান করবেন। কমপক্ষে ২০ দিনের নোটিশে সভা আহবান করতে হবে। জরুরী অবস্থায় ১০ দিনের নোটিশে এ সভা আহবান করা যাবে। সভার অন্ততঃ ৫ দিন পূর্বে সদস্যদের পত্র প্রেরণ করতে হবে, অন্যথায় কমপক্ষে ১ টি দৈনিক পত্রিকায় সভার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে হবে।

(৩) মোট সদস্যের এক-পঞ্চমাংশের উপস্থিতিতে সভার কোরাম হবে। সংখ্যাগরিষ্ট সদস্যের সম্মতিতে/কন্ঠভোটে সভায় উত্থাপিত যে কোন প্রস্তাব অনুমোদিত /গৃহীত হবে।

(৪) সাধারণ সম্পাদক এসোসিয়েশনের বার্ষিক/দ্বিবার্ষিক প্রতিবেদন পেশ করবেন। কোষাধ্যক্ষ এসোসিয়েশনের আর্থিক কর্মকান্ডের বিবরণ পেশ করবেন।

 

৪.২ বিশেষ সাধারণ সভা

(১) সাধারণ পরিষদের জরুরী/বিশেষ  সভা বিশেষ সাধারণ সভা হিসেবে অভিহিত হবে।

(২) এসোসিয়েশনের জরুরী বা বিশেষ প্রয়োজনে বছরে একাধিক বিশেষ সাধারণ সভা ডাকা যেতে পারে। কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠন, পুনর্গঠন ও বাতিলকরণ ব্যতীত সাধারণ সভার সকল সিদ্ধান্ত এ সভায় গ্রহণ করা যাবে।

(৩) বিশেষ সাধারণ সভা কমপক্ষে ১০ (দশ) দিনের নোটিশে আহবান করতে হবে। সদস্যদের নিকট সভার নোটিশ প্রেরণ করা সম্ভব না হলে কমপক্ষে ১টি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় বিশেষ সাধারণ সভার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে হবে।

 

৪.৩ কার্যনির্বাহী পরিষদ সভা:

(১) কার্যনির্বাহী পরিষদের সভা এলামনাই এসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী পরিষদ সদস্যগণকে নিয়ে সভাপতির অনুরোধে সাধারণ সম্পাদক এ সভা ডাকবেন এবং সভাপতি আলোচ্যসূচী নির্ধারণ করবেন।

(২) প্রতি ২ মাসে অন্ততঃ ১ টি সভা অনুষ্ঠিত হতে হবে। সভা অনুষ্ঠানের কমপক্ষে ৭ দিন পূর্বে সাধারণ সম্পাদক এ সভার নোটিশ জারী করবেন। সাধারণ সম্পাদক সভা আহবান না করলে যুগ্ম সম্পাদকগণ সভাপতির অনুরোধে এ সভার নোটিশ জারী করতে পারবেন। বিশেষ পরিস্থিতিতে সভাপতি নিজেই এ সভা ডাকতে পারবেন।

(৩) জরুরী প্রয়োজনে ২৪ ঘন্টার নোটিশেও কার্যনির্বাহী পরিষদ সভা আহবান করা যাবে। সেক্ষেত্রে পরিষদের সদস্যগণকে টেলিফোনে অবহিত করতে হবে।

(৪) মোট সদস্যের এক-চতুর্থাংশ সদস্য উপস্থিত থাকলে সভার কোরাম হবে। সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থনে/সম্মতিতে/ভোটে সভার প্রস্তাব অনুমোদিত/গৃহীত হবে।

(৫) সাধারণ সম্পাদক সভা পরিচালনা করবেন। সাধারণ সম্পাদকের অনুরোধে যুগ্ম সসম্পাদকগণের যে কেউ সভা পরিচালনা করতে পারবেন।

(৬) অফিস ব্যবস্থাপনা সম্পাদক সভার আলোচনা লিপিবদ্ধ করবেন। সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক এর অনুরোধে যে কোন বিভাগীয় সম্পাদক সভার আলোচনা লিটিবদ্ধ করবেন।

 

৪.৪ উপদেষ্টা পরিষদ সভা:

(১) প্রধান উপদেষ্টা কমপক্ষে ৭ দিনের নোটিশে উপদেষ্টা পরিষদ সভা আহবান করবেন। কার্যনির্বাহী পরিষদের সাধারণ সম্পাদকের অনুরোধেও এ সভা আহবান হতে পারে।

(২) পরিষদের মোট সদস্যের এক-তৃতীয়াংশ সদস্যের উপস্থিতিততে সভায় কোরাম হবে। সংখ্যাগরিষ্ট সদস্যেও সমর্থনে/সম্মতিতে/ভোটে সভার প্রসত্মাব অনুমোদিত/গৃহীত হবে।

(৩) বিশেষ প্রয়োজন দেখা না দিলে কিংবা কার্যনির্বাহী পরিষদ অনুরোধ না করলে এ সভা করার ক্ষেত্রে কোন বাধ্যবাধকতা নেই।

 

৪.৫ তলবী সভা

(১)এক নাগাড়ে ৯ মাস কার্যনির্বাহী পরিষদের সভা না ডাকা হলে এলামনাই এসোসিয়েশনের এক-চতুর্থাংশ সদস্য যৌথ স্বাক্ষরে কার্যনির্বাহী পরিষদের ‘তলবী সভা’ ডাকতে পারেন।

(২) এসোসিয়েশনের সদস্যগণের এক-পঞ্চমাংশ সদস্য নির্দিষ্ট অলোচ্যসূচির উপর সাধারণ সভা আহবানের জন্য সভাপতিকে লিখিত অনুরোধ জানালে যদি তিনি গ্রহণযোগ্য কোন কারণ ব্যতিরেকে সাধারণ সভা আহবান না করেন তাহলে অনুরেনাধকারীগণ নিজেরাই উক্ত আলোচ্যসূচীর উপর তলবী সাধারণ সভা আহবান করতে পারবেন।

(৩) কোরাম পূর্ণ হলে তলবী সভায় গঠনতন্ত্রের আলোকে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যাবে।

 

৪.৬ মূলতবী সভা

এসোসিয়েশনের কোন সভায় কোরাম না হলে সে সভাকে মুলতবী ঘোষণাপূর্বক ৭দিন পরবর্তী দিবসে একই স্থানে ও সময়ে উক্ত সভা অনুষ্ঠিত হবে। মুলতবী সভায় উপস্থিত সদস্যগণকে নিয়েই কোরাম হবে। এ সভায় এসোসিয়েশনের বিলুপ্তি, গঠনতন্ত্র সংশোধন, কাযনির্বাহী পরিষদ গঠন/পূর্নগঠন/বাতিল প্রভৃতি বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যাবে না।

 

পঞ্চম অধ্যায়: কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন

৫.১ নির্বাচন কমিশন গঠন

(১) দৈব দূর্বিপাক ও বিশেষ কোন পরিস্থিতি ব্যতীত কার্যনির্বাহী পরিষদের মেয়াদ শেষ হবার ন্যূনতম ৩০ (ত্রিশ) দিন পূর্বে থেকে পরবর্তী কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন কমিশন গঠন করবে।

(২) কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরবর্তী কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠানের উদ্যোগ না নিয়ে কিংবা নির্বাচন অনুষ্ঠানে ব্যর্থ হলে গঠনতন্ত্রের উপ-ধারা ৩.২(১)৩ এর আলোকে গঠিত ৭ (সাত) সদস্যের আহবায়ক কমিটি নির্বাচন কমিশন গঠন করবে।

(৩) নির্বাচন কমিশন ১ (এক) জন  প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং ২ (দুই) জন কমিশনারের সমন্বয়ে ৩ (তিন) সদস্য বিশিষ্ট হবে। নির্বাচন কমিশনের সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার সভাপতিত্ব করবেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ ২(দুই) জন সদস্যের উপস্থিতিতে সভার কোরাম পূর্ণ হবে।

 

৫.২ কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন

(১) সাধারণ সভায় কাযনির্বাহী পরিষদ গঠন:

এসোসিয়েশনের সাধারণ সভায় এলামনাই এসোসসেয়শনের কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ লক্ষ্যে গঠনতন্ত্রের বিধানের আলোকে ডাকা সাধারণ সভা দুটি পর্বে বিভক্ত থাকবে:

১. প্রথম পর্ব কার্যনির্বাহী পরিষদের মেয়াদে কর্মকান্ডের মূল্যায়ন, আয়-ব্যয়ের হিসেব উপস্থাপন, সাধারণ আলোচনা, অনুমোদন ইত্যাদির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে।

২. দ্বিতীয় পর্বে কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সমঝোতার ভিত্তিতে কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠনের চেষ্টা করতে হবে। উপস্থিত এসোসিয়েশনের সদস্যগণের ঐক্যমত্যে কিংবা সংখ্যগরিষ্ঠের মতামত/কন্ঠভোটের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন সম্পন্ন করবেন।

৩. সর্বসম্মত প্রস্তাবে /সিদ্ধান্তে /কন্ঠভোটে নির্বাচিত কার্যনির্বাহী পরিষদ উক্ত সাধারণ সভায় ঘোষণাপূর্বক নোটিশ বোর্ডে টাঙিয়ে দেয়া হবে।

(২) সাধারণ সভায় সমঝোতার ভিত্তিতে কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠন করা না গেলে গঠিত নির্বাচন কমিশন ভোটের মাধ্যমে কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন সম্পন্ন করবেন। এসোসিয়েশনের সকল বৈধ সদস্য অর্থাৎ সকল  বৈধ সাধারণ সদস্য এবং বৈধ জীবন সদস্য এ নির্বাচনে ভোটার হিসেবে ভোটার তালিকায় অমত্মর্ভুক্ত হবেন।

 

৫.৩ কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা

সাধারণ সভায় কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠান ঘোষণা হবার ১০ (দশ) দিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশন খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশপূর্বক নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করবেন। নির্বাচনী তফসিলে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো উল্লেখ থাকতে হবে:

(১) খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ

(২) খসড়া ভোটার তালিকার উপর আপত্তি

(৩) চুড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ

(৪) মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দেয়ার তারিখ ও সময়

(৫) খসড়া প্রার্থীতা তালিকা প্রকাশ

(৬) খসড়া প্রার্থীতা তালিকার উপর আপত্তি গ্রহণ ও শুনানী

(৭) মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময়

(৮) চুড়ান্ত প্রার্থীতা তালিকা প্রকাশ

(৯) নির্বাচন অনুষ্ঠানের স্থান, তারিখ এবং সময়

 

৫.৪ কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন বিধানাবলী

(১) চুড়ান্ত প্রার্থীতা তালিকায় কোন পদের/পদসমূহের জন্য একাধিক প্রার্থী থাকলে কেবলমাত্র সে সকল পদে/পদসমূহে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

(২) সদস্য পদে কখনও প্রার্থীসংখ্যা কম থাকার করণে নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রয়োজন না হলে প্রার্থীদের এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিন এ ভর্তি ও জ্যেষ্ঠতা অনুযায়ী সদস্যদের ক্রম নির্ধারিত হবে। কোন পদে সমসংখ্যাক ভোট হলে নির্বাচন কমিশন লটারীর মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।

(৩) যদি কোন কারণে কোন পদে/পদসমূহে প্রার্থী  না থাকে তবে সভাপতি ও সাধরণ সম্পাদকের পদ ছাড়া বাকী পদসমূহ নির্বাচিত কার্যনির্বাহী পরিষদ পরবর্তী সময়ে কো-অপশনের মাধ্যমে পূরণ করবে, তবে এ সংখ্যা কার্যনির্বাহী পরিষদের মোট পদ সংখ্যার এক-তৃতীয়াংশের বেশী হতে পারবেনা। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে অবশ্যই নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্বাচত হতে হবে।

(৪) কোন সদস্য পর পর দুই মেয়াদ কার্যনির্বাহী পরিষদের সভাপতি অথবা সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হতে পারবেন না। তবে এক মেয়োদ বিরতি দিয়ে পরে আবার একই পদে প্রার্থী হতে বাধা থাকবে না।

(৫) কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থীগণ ৩২ (বত্রিশ) জনের পূর্ণ প্যানেল কিংবা যে কোন সংখ্যকপদে যুক্তভাবে কিংবা এককভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেননা। কোন প্রার্থী একাধিক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেনা। মনোনয়নপত্র পূর্ণ প্যানেল হিসেবে একসাথে অথবা এককভাবে সংগ্রহ করা যাবে।

(৬) নির্বাচন কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত মনোনয়ন ফি (অফেরতযোগ্য) নগদ জমা দিয়ে নির্বাচন কমিশনের নিকট থেকে নির্বাচনের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করতে হবে। যে কোন সদস্য চুড়ান্ত ভোটার তালিকার কপি নির্বাচন কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত অর্থ পরিশোধপূর্বক সংগ্রহ করতে পারবেন।

(৭) মনোনয়নপত্র দাখিল করতে প্রত্যেক প্রার্থীর জন্য একজন ভোটারের প্রস্তাব এবং অন্য একজন ভোটারের সমর্থন থাকতে হবে।

(৮) মনোনয়নপত্র দাখিলের ৪৮ ঘন্টার মধ্যে নির্বাচন কমিশন প্রার্থীগণের খসড়া তালিাকা প্রকাশ করবেন। খসড়া প্রার্থীতা তালিকা প্রকাশের ৪৮ ঘন্টার মধ্যে প্রার্থীতার উপর আপত্তি (যদি থাকে) নির্বাচন কমিশনে পেশ করা যাবে। অতঃপর পরবর্তী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে চুড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে। চুড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশের ১০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।

(৯) যদি কোন কারণে কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন স্থগিত হয়ে যায় কিংবা কার্যনির্বাহী পরিষদের মেয়াদে নির্বাচন কর সম্ভব না হয় তবে মেয়াদ শেষ হবার পর আরও অনধিক  ৩ (তিন) মাসের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন না হলে কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন সম্পন্ন করবে।

(১০) উক্ত ৩ (তিন) মাসের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন না হলে কার্যনির্বাহী পরিষদ আরও ৩ (তিন) মাস বহাল থেকে গঠিত নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে কিংবা প্রয়োজনে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনপূর্বক কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন সম্পন্ন করবে ।

(১১) কার্যনির্বাহী পরিষদ উক্ত ৩ (তিন) মাসের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হলে নতুন কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠন/নির্বাচন বিষয়ে গঠনতন্ত্রের ধারা ৩.২(১)৩ মোতবেক পদক্ষেপ নেয়া যাবে।

(১২) কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন বিধানবলী কিংবা নির্বাচন সংক্রান্ত অন্য যে কোন বিষয়ে সৃষ্ট অষ্পষ্টতা কিংবা বিরোধ কিংবা বিতর্কের উপর নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে।

(১৩) যদি নির্বাচন কমিশন সাধারণ সদস্যদের নির্বাচনের দিন উপস্থিত করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে অনলাইন ভোটের মাধ্যমে কার্যনিবার্হী পরিষদ গঠন করতে পারবে। তবে সেক্ষেত্রে পূর্বের সকল কার্যক্রম সম্পাদন করতে হবে।

 

ষষ্ঠ অধ্যায়:এসোসিয়েশনের আর্থিক ব্যবস্থাপনা

৬.১ এসোসিয়েশনের তহবিল ও আয়ের উৎস

(১)এসোসিয়েশনের সদস্য অন্তর্ভুক্তি ফি, সাধারণ সদস্যপদের বার্ষিক চাঁদা, এসোসিয়েশনের নামে সংগৃহীত চাঁদা, অনুদান এবং অন্যান্য অর্থ এসোসিয়েশনের তহবিল হিসেবে গণ্য হবে।

(২) শিক্ষা, আর্থ-সামাজিক, তথ্য-প্রযুক্তি প্রভৃতি ক্ষেত্রে উন্নয়নধর্মী প্রকল্প /কর্মকান্ডের জন্য এসোসিয়েশনের নামে সংগৃহীত অর্থ বিশেষ তহবিল বলে গণ্য হবে।

(৩) শর্তহীন ব্যক্তিগত এবং প্রাতিষ্ঠানিক (সরকারি/বেসরকারি)অনুদান।

(৪) শেয়ার, সঞ্চয়ী সার্টিফিকেট, সিকিউরিটিস বা যে কোন লাভজনক প্রকল্পে এসোসিয়েশনের তহবিল বিনিয়োগের মাধ্যমে অর্জিত অর্থ।

(৫) অন্যান্য অনুরুপ উৎস থেকে প্রাপ্ত অর্থ/অনুদান।

 

৬.২ এসোসিয়েশনের সদস্য নিবন্ধন ফি ও চাঁদা

(১) এগ্রোটেকনোলজি এলামনাই এসোসিয়েশন (এএএ) এর সাধারণ সদস্যপদের নিবন্ধন ফি ১০০/- (একশত) টাকা যা সদস্যপদ গ্রহণ ফি হিসেবে গৃহীত হবে।

(২) সাধারণ সদস্যপদের বার্ষিক চাঁদা ৫০০/- (পাঁচশত) টাকা ।

(৩) আজীবন সদস্য নিবন্ধন ফি:

এসোসিয়েশনের আজীবন সদস্যপদের নিবন্ধন ফি ৫,০০০/- (পাঁচ হাজার) টাকা যা সদস্যপদ গ্রহণ ফি হিসেবে এককালীন গৃহীত হবে। আজীবন সদস্যকে সদস্যপদের জন্য আর কোনরুপ বার্ষিক কিংবা মাসিক চাঁদা পরিশোধ করতে হবে না। কার্যনির্বাহী পরিষদ বিশেষ বিশেষ সময়ে ছাড় দিয়ে এই নিবন্ধন ফি কমাতে পারবে।

 

৬.৩ এসোসিয়েশনের কর্মকর্তা/কর্মচারী নিয়োগ

সভাপতির অনুমোদন সাপেক্ষে সাধারণ সম্পাদক এসোসসেয়েশনের কর্মকর্তা/কর্মচারী নিয়োগ প্রদান করবেন। এসোসিয়েশনের কর্মকর্তা/কর্মচারীদের নিয়োগ, অব্যাহতি, বেতন-ভাতা, ছুটি ইত্যাদি সার্বিকভাবে কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্তে নির্ধারিত এবং নিয়ন্ত্রিত হবে।

 

৬.৪ এসোসিয়েশনের সম্পত্তি ও তহবিল ব্যবস্থাপনা

(১)এসোসিয়েশনের সকল স্থাবর/অস্থাবর সম্পত্তি, মূলধন, পোর্টফোলিও বিনিয়োগ, তহবিল প্রভৃতির একটি সুষ্ঠু রেকর্ড কোষাধ্যক্ষ সংরক্ষণ করবেন। এসোসিয়েশনের নামে সংগৃহীত সমুদয় অর্থ এসোসিয়েশনের নামে করা ব্যংক হিসাবে জমা রাখবেন।

(২) কোনো সরকারি/বেসরকারি সংস্থা কিংবা কোনো ব্যাংক, বীমা বা অর্থ লগ্নীকারী প্রতিষ্ঠান কিংবা কোনো ব্যক্তির নিকট থথেকে এসোসিয়েশন বা এসোসিয়েশনের পক্ষে কোনো সদস্য কোনোরুপ অর্থ ধার হিসেবে গ্রহণ করতে পারবে না এবং এসোসিয়েশনের কোনো অর্থও ধার হিসেবে প্রদান করা যাবে না।

(৩) কোষাধ্যক্ষ পরবর্তী কার্যনির্বাহী পরিষদের কোষাধ্যক্ষকে সম্পদ/তহবিল বুঝিয়ে দিবেন।

(৪) এসোসিয়েশনের স্থাবর/অস্থাবর সম্পত্তি কিংবা কোনো তহবিলের উপর এসোসিয়েশনের কোন সদস্যের একক কোনো দাবী থাকবে না।

 

৬.৫ এসোসিয়েশনের ব্যাংক হিসাব ও আর্থিক লেনদেন

(১) সকল সদস্য ফি, চাঁদা, অনুদান, কিংবা কোন উৎস, খাত বা ব্যক্তি থেকে আদয়কৃত অর্থ এসোসিয়েশনের নামে করা ব্যাংক হিসাবে জমা প্রদান করতে হবে।

(২) এসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত কোনো অনুষ্ঠান কিংবা পরিচালিত কোনো কর্মকান্ডে ও আয়-ব্যায়ের চুড়ান্ত হিসাবের উদ্বৃত্ত অর্থ কিংবা ঘাটতি কার্যনির্বাহী পরিষদের অনুমমোদনক্রমে এসোসিয়েশনের তহবিলে সমন্বয় হবে।

(৩) কার্যনির্বাহী পরিষদের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এবং কোষাধ্যক্ষ এই ৩ (তিন) জনের যৌথ স্বাক্ষরে এসোসিয়েশনের ব্যাংক হিসাব খোলা /বন্ধ/পরিচালিত হবে।

(৪) কার্যনির্বাহী পরিষদরে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এ ২ (দুই) জনের যে কোন ১ (এক) জন এবং কোষধ্যক্ষের যৌথ স্বাক্ষরে এসোসিয়েশনের ব্যাংক লেনদেন সম্পন্ন হবে।

 

৬.৬ এসোসিয়েশনের হিসাব নিরীক্ষণ

(১) প্রতি পঞ্জিকা বছরে কিংবা কার্যনির্বাহী পরিষদের পূর্ণ এক মেয়াদে অন্তত একবার এসোসিয়েশনের আয়-ব্যয়ের হিসাব নিরীক্ষণ করতে হবে।

(২) কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাহী সদস্য পদমর্যাদার যে কোন একজনকে পরীক্ষক নিয়োগ করবেন। তিনি এসোসিয়েশন সকল আয়-ব্যায়ের হিসাব পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তা রিপোর্ট আকারে কার্যনির্বাহী পরিষদে পেশ করবেন।

(৩) কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় অনুমোদনের পরই উক্ত হিসাব এসোসিয়েশনের সাধারণ সভায় অনুমোদনের জন্য পেশ করা যাবে।

 

সপ্তম অধ্যায়: বিবিধ

৭.১ কার্যনির্বাহী পরিষদ সদস্য শূন্যপদ পূরণ

কার্যনির্বাহী পরিষদের কোন সদস্যের পদত্যাগ, অব্যাহতি, অনাস্থা, সদস্যপদ বাতিল/অপসারণ, মৃত্যু বা অন্য কোন কারণে সদস্যপদ শূন্য হলে কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় অর্ধেক সদস্যের অংশগ্রহণে উপস্থিত সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের সমর্থনে কো-অপশনের মাধ্যমে উক্ত শূন্য পদ/পদসমূহ পূরণ করা যাবে। তবে শূন্য পদের সংখ্যা মোট পদের ১/৩ অংশের উর্ধ্বে হলে তা নির্বাচনের মাধ্যমে পূরণ করতে হবে।

 

৭.২ কার্যনির্বাহী পরিষদ সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ

(১) কোন কার্যনির্বাহী পরিষদ সদস্য পদত্যাগ করতে চাইলে কারণ উল্লেখপূর্বক তিনি সভাপতি বরাবর পদত্যাগপত্র পেশ করবেন।

(২) পদত্যাগপত্র পেশের ১৫ দিনের মধ্যে সাধারণ সম্পাদক কার্যনির্বাহী পরিষদের সভা আহবান করবেন। উক্ত সভায় পদত্যাগপত্র গৃহীত হলে তিনি এসোসিয়েশনের সাথে তাঁর সমুদয় হিসাব-নিকাশ সম্পন্ন করা সাপেক্ষে বিমুক্ত হবেন।

(৩) পদত্যাগপত্র কার্যনির্বাহী পরিষদে উত্থাপনের পরে আর তা প্রত্যাহার করা যাবে না, পদত্যাগকারী  সদস্য কোন প্রকার বিবৃতি বা পত্র দিতে পারবেন না।

(৪) কার্যনির্বাহী পরিষদের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য পদত্যাগ করলে কার্যনির্বাহী পরিষদ বাতিল হয়ে যাবে।

 

৭.৩ কার্যনির্বাহী পরিষদ সদস্যপদ বাতিল/স্থগিতকরণ/অব্যাহতি

(১)যদি এরুপ প্রতীয়মান হয় যে, কার্যনির্বাহী পরিষদের কোন সদস্য দ্বারা এসোসিয়েশনের নির্ধারিত দায়িত্ব পালন সম্ভব নয়, সেক্ষেত্রে সাধারণ সম্পাদকের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কার্যনির্বাহী পরিষদের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের সিদ্ধান্তে উক্ত সদস্যকে তাঁর দায়িত্ব হতে অব্যাহতি দেয়া যেতে পারে। তবে তাঁর এসোসিয়েশন সদস্য পদ বহাল থাকবে।

(২) এসোসিয়েশনের গঠনতন্ত্র বহির্ভূত বা এসোসিয়েশনের স্বার্থের পরিপন্থী কাজ করলে কার্যনির্বাহী পরিষদ কোন সদস্যের সদস্যপদ সাময়িক স্থগিত করে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনপূর্বক ৩০ (ত্রিশ) দিনের কারণ দর্শানো নোটিশ দিবে। জবাব সন্তোষজনক না হলে কার্যনির্বাহী পরিষদের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের সিদ্ধান্তে তাঁর সদস্যপদ বাতিল করা যাবে।

(৩) সভাপতির পূর্বানুমতি ব্যতীত কোন কার্যনির্বাহী পরিষদ সদস্য পরপর ৩ (তিন) সভায় অনুপস্থিত থাকলে কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্তে তাঁর সদস্যপদ বাতিল করা যাবে।

 

৭.৪ গঠনতন্ত্র সংশোধন

(১)সাধারণ পরিষদ সভায় (সাধারণ সভা/বিশেষ সাধারণ সভা) কোরাম অনুযায়ী উপস্থিত সদস্যের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের সমর্থনে গঠতন্ত্রের কোন ধারা/অনুচ্ছেদ সংশোধন, সংযোজন বা বিয়োজন করা যাবে।

(২) সাধারণ পরিষদ সভার সাত দিন পূর্বে সাধারণ সম্পাদক সংশোধনী প্রস্তাব/প্রস্তাবসমূহ কার্যনির্বাহী পরিষদ সভায় পেশ করবেন। কার্যনির্বাহী পরিষদ সভায় অনুমোদিত প্রস্তাব/প্রস্তাবসমূহ সাধারণ পরিষদ সভায় পেশ করবেন।

(৩) সাধারণ পরিষদ সভায় গৃহীত কোন সংশোধনী নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষ (যদি থাকে) এর অনুমোদন সাপেক্ষে কার্যকরি হবে।

 

৭.৫ জরুরী আইন

যদি কোন প্রকার সংকটাপন্ন/জরুরী অবস্থায় নির্বাচন সম্পন্ন না হয় তবে এসাসিয়েশনের কার্যাবলী যাহাতে অব্যাহত থাকে তজ্জন্য কার্যনির্বাহী পরিষদ তাদের কার্যকাল উক্ত সংকটাপন্ন /জরুরী অবস্থাকালীন সময় পর্যন্ত বর্ধিত করতে পারবেন। এরুপ কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে উপদেষ্টা পরিষদের মতামত নিতে হবে এবং তা পত্র মারফতে এসোসিয়েশনের সকল সদস্যকে অবহিত করতে হবে।

 

৭.৬ এসোসিয়েশনের বিলুপ্তি

যদি কোন কারণে এগ্রোটেকনোলজি এলামনাই এসোসিয়েশন (এএএ) এর বিলুপ্তির প্রশ্ন উঠে তবে এসোসিয়েশনের সাধারণ পরিষদের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের মধ্যে এ বিষয়ে ঐক্যমত্য হলে এসোসিয়েশনের বিলুপ্তি ঘটবে। সেক্ষেত্রে মোট সাধারণ পরিষদ সদস্যের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য স্বাক্ষরিত আবেদন বিবেচনা করতঃ নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তই হবে চুড়ান্ত। আর এসোসিয়েশন নিবন্ধিত না হলে, সেক্ষেত্রে এর সকল স্থাবর/অস্থাবর সম্পত্তি এবং তহবিল এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিন প্রধানের আওতায় চলে যাবে।

 

৭.৭ আহবায়ক কমিটির কার্যাবলীর অনুমোদন/দায়মুক্তি

গঠনতন্ত্রে যা কিছু বলা থাকুক না কেন, গঠনতন্ত্র অনুমোদনের পূর্বে এএএ আহবায়ক কমিটির সকল কার্যক্রম বিধি সম্মতভাবে সম্পন্ন হয়েছে মর্মে হবে।

Agrotechnology Alumni Association © 2018 01718732843